বিজ্ঞপ্তি
২০২০ ইং সনের জানুয়ারী মাসের প্রথম, দ্বিতীয় ও ফাইনাল পেশাগত এমবিবিএস (পুরাতন কারিকুলাম) পরীক্ষায় অংশগ্রহনকারী ছাত্র-ছাত্রীদের অবগতির জন্য জানানো যাইতেছে যে, নিম্নবর্ণিত পরীক্ষার ফি অনুযায়ী বিনা বিলম্ব ফিসে ১২-১২-২০১৯ ইং তারিখের মধ্যে সমস্ত কলেজ বকেয়া পরিশোধ সাপেক্ষে ফরম পূরণ করিয়া জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হইলঃ
প্রথম পেশাগত (অনিয়মিত)
১. তিন বিষয়ের জন্য= ৮,৩০০.০০ টাকা।
২. দুই বিষয়ের জন্য = ৬,৩০০.০০ ” ৩. এক বিষয়ের জন্য = ৪,৩০০.০০ ”
দ্বিতীয় পেশাগত (অনিয়মিত)
১. পাঁচ বিষয়ের জন্য = ১২,৩০০.০০ টাকা।
২. চার বিষয়ের জন্য = ১০,৩০০.০০ ” ৩. তিন বিষয়ের জন্য = ৮,৩০০.০০ ”
৪. দুই বিষয়ের জন্য = ৬,৩০০.০০ ”
৫. এক বিষয়ের জন্য = ৪,৩০০.০০ ”
ফাইনাল পেশাগত (অনিয়মিত)
১. তিন বিষয়ের জন্য= ৮,৩০০.০০ টাকা।
২. দুই বিষয়ের জন্য = ৬,৩০০.০০ ” ৩. এক বিষয়ের জন্য = ৪,৩০০.০০ ”
১. যেই সকল পরীক্ষার্থী পূর্ববর্তী যে কোন পরীক্ষায় (১ম, ২য় ও ফাইনাল পেশাগত) যে কোন বিষয়ে রেফার্ড পাইয়াছে সেই সকল পরীক্ষার্থীকে “অনিয়মিত” পরীক্ষার্থী হিসাবে গণ্য করিতে হইবে এবং রিটেনশন ফিস পরিশোধ করিতে হইবে।
২. বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মানুযায়ী ২০২০ সনের জানুয়ারী মাসে অনুষ্ঠিতব্য প্রথম পেশাগত, দ্বিতীয় পেশাগত এবং ফাইনাল পেশাগত পরীক্ষায় অংশগ্রহনকারী ছাত্র-ছাত্রীদেরকে অনিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে গন্য করা হইবে।
৩. কোন পরীক্ষার্থী ৪র্থ বার অকৃতকার্ষ হওয়ার পর ৫ম বার পরীক্ষা দিতে দেওয়া হইবে না। উক্ত ক্ষেত্রে যথারীতি বিষয় সমূহের ক্লাশ করিতে হইবে এবং ৬ষ্ঠ বারের জন্য বিভাগীয় প্রধানদের সুপারিশক্রমে ডীন, চিকিৎসা অনুষদের অনুমতি নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহন করিতে হইবে।
৪. কোন পরীক্ষার্থী পেশাগত পরীক্ষায় চারবার অকৃতকার্য হইলে পরবর্তী পরীক্ষায় অংশগ্রহন করিতে হইলে প্রতিবারই ডীন, চিকিৎসা অনুষদের অনুমতি লাগবে।
৫. দ্বিতীয় পেশাগত পরীক্ষার্থীদেরকে প্রথম পেশাগত পাসের মার্কসীটের ফটোকপি ও ফাইনাল পেশাগত পরীক্ষার্থীদের দ্বিতীয় পেশাগত পরীক্ষা পাসের মার্কসীটের ফটোকপি এবং সদ্য তোলা এক কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি অবশ্যই পূরণকৃত এন্ট্রি ফরমের সাথে জমা দিতে হইবে। অসম্পূর্ণ বা ভুল তথ্য সম্পন্ন এন্ট্রি ফরম জমা দিলে পরীক্ষা সংক্রান্ত বা ভবিষ্যতে কোন জটিলতার জন্য কলেজ কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকিবে না।
৬. এন্ট্রি ফরম পূরনের ক্ষেত্রে কোন কাটাকাটি, ঘষামাজা কিংবা সাদা ফ্লুইড ব্যবহার করা চলিবে না।
অধ্যক্ষ
শহীদ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ